ডেস্ক রিপোর্ট :: কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় হত্যা মামলার আসামিকে পিটিয়ে-কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নিহত ব্যক্তির নাম আবদুল লতিফ ভূঁইয়া (৪৫)। তিনি মানিককান্দি গ্রামের মৃত ধনু ভূঁইয়ার ছেলে এবং ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম মোল্লা হত্যা মামলার আসামি। প্রায় পাঁচ মাস জেল খেটে বৃহস্পতিবার তিনি জামিনে ছাড়া যান।

তিতাস থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল হক বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মানিককান্দি বাজারে এক ব্যক্তিকে গুলি করেন আসামি লতিফ ভূঁইয়া। সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তারপরই জনতা তাকে ধরে পিটুনি দেয়।
“জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল পেয়ে লতিফ ভূঁইয়াকে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশের পাহারায় পাঠানো হয়।”

রাত পৌনে ২টার দিকে পথেই লতিফ মারা যান বলে জানান ওসি। তিনি বলেন, তার মরদেহ ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, একটি মৎস্য প্রকল্পে আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের ধরে ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও যুবলীগ নেতা জহিরুল হক মোল্লাকে হত্যা করা হয়।
সেই মামলার আসামি হিসেবে জামিনে বেরিয়ে আসার পর সোমবার রাতে লতিফ ভূঁইয়া মানিককান্দি বাজারে জহিরুল ইসলাম মোল্লার এক নিকটাত্মীয়কে লক্ষ্য করে গুলি করেন। তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর লতিফ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

এ সময় স্থানীয় লোকজন ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করেন এবং ব্যাপকভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে।
তিতাস থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল হক বলেন, লতিফের মরদেহ কুমিল্লায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
Leave a Reply